ওজন বাড়ানোর খাদ্য ডায়েট চার্ট – ১ মাসে ৮ কেজি

ওজন বাড়ানোর ডায়েট চার্ট – যা আপনাকে সহজেই ওজন বাড়াতে সাহাওজন বৃদ্ধির সহজ উপায়য্য করে। ওজন বৃদ্ধির ডায়েট চার্ট ওজন বৃদ্ধির খাদ্য তালিকা বাড়িতে বসে ওজন বারানোর উপায় দ্রুত ওজন বৃদ্ধির উপায় দ্রুত মোটা হওয়ার খাদ্য তালিকা :

সকাল ৬/৭ টায়ঃ
১) ২ টা পরোটা/ভাত ১ কাপ।
২) ১ টা ডিম পোচ / ভাজি।
৩) আলু ভর্তা / ভাজি/সবজি।
সকাল ১০/১১ টায়ঃ
১) ১ মুঠ বাদাম।
২) ২ টা কলা, ( ছোট কলা হলে ৩/৪ টা)
(দুপুর ২ টায়ঃ
১) ২ কাপ ভাত
২) ডাল ২ কাপ
৩) মাছ/ মাংস+ সবজি বা তরকারি।
বিকেল ৫ টায়ঃ
১) নুডুলস ১ বাটি (ডিম, আলু দিয়ে) / ফ্রেঞ্চ
ফ্রাই বড় ২ টা আলুর/ বা ২/৩ টা আলুর চপ /
সিংগাড়া / পুরি (বাসায় বানাতাম,
আপনারা চাইলে কিনে খেতে পারেন।
২) হালুয়া ৩/৪ টুকরা।
রাতের খাবার ৮ টায়ঃ
১) ১ কাপ ভাত।
২) তরকারি / সবজি ঘরে যা রান্না হতো।
ঘুমানোর আগেঃ
১) ১ মুঠ বাদাম।
২) খেজুর ৫ টা/ কিসমিস ২০ টা।
৩) দুধ ১ গ্লাস। (চাইলে এই ৩ টা আইটেম ব্লেন্ড
করেও খেতে পারেন। আমি ব্লেন্ড করতাম না
কারন ব্লেন্ড করলে বাজে গন্ধ লাগতো একটু পর

কিভাবে মোটা হওয়া যায় জেনে নিন

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। তাই তো মানুষ সবাই স্বাস্থ্যবান হতে চায়। আবার অনেকেই সহজ ভাষায় বলে মোটা হতে চাই। আসলে সহজে স্বাস্থ্যবান হতে চাওয়াটা আজকাল কমন বিষয়।

এক্ষেত্রে মূলত ডাক্তারী পরামর্শের সাথে সাথে বিভিন্ন টিপস বা বিশেষ কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চল্লে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।
যেমন :-

  • পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস : প্রাকৃতিক উপায়ে মোটা হওয়ার ক্ষেত্রে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • তাই পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। কারন সবার শরীরে পরিমান মতো পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য প্রয়োজন। আর তা নির্দিষ্ট ভাবে পেলে শরীর বেড়ে ওঠে।
  • ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার : মানুষের শরীরকে ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার মোটা করে। তাই এই ধরনের খাবার বেশি খেলে মানুষের শরীর মোটা হয় বলে জানা যায়।
  • পরিশ্রম কম করলে : বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে যে পরিশ্রম কম করলেও অনেকে দ্রুত মোটা হয়ে যায়।
  • বিশ্রাম : বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যায় সঠিক বিশ্রাম নিলে শরীর সুস্থ থাকে ও বেড়ে ওঠে। তাই দৈনন্দিন জীবনে কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।
  • ঘুম : পরিমান মতো ঘুম এক্ষেত্রে একান্ত আবশ্যক। তাই দৈনিক নির্দিষ্ট সময় ধরে ঘুমানোর সুন্দর অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
  • দুধ ও ডিম : অধিক পরিমাণে দুধ ও ডিম জাতীয় খাবার শরীরকে মোটা করে বলে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে।
  •  মাখন ও পনির : মানুষের শরীর মোটা হওয়ার ক্ষেত্রে দেখা গেছে মাখন ও পনির এর গুরুত্ব অনেক। মিষ্টি জাতীয় খাবারও বিশেষ ভূমিকা রাখে।
  •  ডাক্তারি পরামর্শ : সবসময় চিকিৎসকের সুপরামর্শ অনুযায়ী জীবনযাপন করলে শরীর সুস্থ থাকে।
  • তবে সবশেষে একটা বিষয় সবার মনে রাখা দরকার “শরীর মোটা হওয়াই সুস্থতা বা সুস্বাস্থ্যতা নয় বরং সুস্বাস্থ্যতাই সকল সুখের মূল।”

দৃষ্টি আকর্ষণ :- উক্ত পরামর্শটা ব্যাবহারের পূর্বে আপনি চাইলে কোনো ডক্টরের সাথে আলোচনা করে নিতে পারেন, পরামর্শে কি লেখা আছে, কি ভাবে লেখা আছে ভালোভাবে বুঝে নিন।

উক্ত পরামর্শ ব্যাবহার করে কারও কোন সমস্যা হলে আমরা  দায়ী থাকবো না। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল সমস্যার সমাধান এবং নিত্য নতুন টিপস পেতে  আমাদের সঙ্গেই থাকুন ।

ওজন অনুযায়ী খাদ্য তালিকা  ওজন বৃদ্ধির ঔষধ ওজন বৃদ্ধির সহজ উপায় ওজন বাড়ে না কেন ওজন বৃদ্ধির ব্যায়াম ওজন বৃদ্ধির ভিটামিন দ্রুত মোটা হওয়ার খাদ্য তালিকা বাড়িতে বসে ওজন বারানোর উপায় |

মোটা হওয়ার ফর্মুলা মোটা হওয়ার ইসলামিক উপায় ওজন বৃদ্ধির খাদ্য তালিকা স্থায়ী ভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ দ্রুত ওজন বৃদ্ধির উপায় মোটা হওয়ার প্রাকৃতিক ঔষধ মোটা হওয়ার ব্যায়াম সাত দিনে মোটা হওয়ার উপায় |

খেজুর খেলে কি মোটা হওয়া যায়?

হ্যাঁ, খেজুর ওজন বাড়াতে সাহায্য করে, খেজুরে প্রচুর পরিমাণে আয়রন এবং খাদ্যতালিকাগত ফাইবার রয়েছে, তবে এগুলি প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার ফলে ওজন বৃদ্ধি পাবে কারণ তাদের ওজনের 70 শতাংশ আসে চিনি থেকে ।  ক্যালোরিকিং পরামর্শ দেয় যে একটি একক তারিখে 66 ক্যালোরি রয়েছে, তাই আপনি যদি ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন তবে সেগুলির একটি গুচ্ছ খাওয়া এড়িয়ে চলুন।

You may also like...